আঁচলে বান্ধিয়া রাখিবো লিরিক্স | (জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪) একজন বাংলাদেশি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
আঁচলে বান্ধিয়া রাখিবো লিরিক্স | Achole Bandhiya Rakhibo lyrics| সাবিনা ইয়াসমিন | sabina yasmin

আঁচলে বান্ধিয়া রাখিবো লিরিক্স :
চোখের কাজল করিবো গো তোমারে
চোখের কাজল করিবো
ভালোবাসায় বাঁধি বুক
তোমার সুখই যে আমার সুখ
তোমার সুখই যে আমার সুখ
আঁচলে বান্ধিয়া রাখিবো
চোখের কাজল করিবো গো তোমারে
চোখের কাজল করিবো
বিধাতা প্রাণ দিতো
তোমারই মুখ ছাড়া অন্য কিছু
চোখ যদি না দেখিতো
বিধাতা প্রাণ দিতো
তোমারই মুখ ছাড়া অন্য কিছু
চোখ যদি না দেখিতো
স্বর্গ তোমার মাঝে

তুমি ছাড়া পরান আমার একদিনও না বাঁচে
তোমায় নিয়ে বাঁচবো আমি, যতই ঝড় আসুক
তোমার সুখই যে আমার সুখ
তোমার আগে চলে যাই
মৃত্যুর পরে তখনও কি গো
তোমারই বুকে দেবে ঠাঁই
তোমার আগে চলে যাই
মৃত্যুর পরে তখনও কি গো
তোমারই বুকে দেবে ঠাঁই
জন্ম তোমার জন্য

তুমি ছাড়া হাজার জনম হবে না তো পূর্ণ
মরবো তোমায় ভালোবেসে, পৃথিবী জানুক
তোমার সুখই যে আমার সুখ
আঁচলে বান্ধিয়া রাখিবো
চোখের কাজল করিবো গো তোমারে
চোখের কাজল করিবো
ভালোবাসায় বাঁধি বুক
তোমার সুখই যে আমার সুখ
তোমার সুখই যে আমার সুখ
সাবিনা ইয়াসমিন (জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪) একজন বাংলাদেশি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

সাবিনা ইয়াসমিন সংগীতে অবদানের জন্য পুরষ্কৃত হয়েছেন অনেক বার। যেমন – ১৯৮৪ সালে একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার মোট ১০টি, বাচসাস পুরস্কার মোট ৬টি, বিএফজেএ পুরস্কার মোট ১৯৯১ সালে।
উত্তম কুমার পুরস্কার ১৯৯১ সালে, এইচ এম ভি ডাবল প্লাটিনাম ডিস্ক,বিশ্ব উন্নয়ন সংসদ থেকে সংগীতে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি লাভ করেছেন ১৯৮৪ সালে, ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালে জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৭৫ সালে চলচ্চিত্র পূবাণী চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৯০ সালে শেরে বাংলা স্মৃতি পদক, ১৯৯২ সালে অ্যাস্ট্রোলজি পুরস্কার,১৯৯২ সালে জিয়া স্মৃতি পদক এবং নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে পান ‘বেস্ট সিঙ্গার’ পুরস্কার।
আরও দেখুনঃ