তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama

তুলসী আরতি লিরিক্স ; তুলসী (ইংরেজি: holy basil, বা tulasī) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি সুগন্ধী উদ্ভিদ। হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এটি একটি পবিত্র উদ্ভিদ হিসাবে সমাদৃত।

তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama

তুলসী আরতি/বন্দনা:
तुलसी आरती
Sri Tulasi Pranama/Kirtana
Sri Tulasi Pradaksina Mantra:

তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama
তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama

তুলসী আরতি লিরিক্স :

নমো নমঃ তুলসী কৃষ্ণ প্রেয়সী।
রাধাকৃষ্ণ সেবা পাব এই অভিলাষী।।
যে তোমার শরণ লয় তার বাঞ্ছা পূর্ন হয়।।
কৃপা করি কর তারে বৃন্দাবনবাসী।।
মোর এই অভিলাষ,বিলাস কুঞ্জে দিও বাস।।
নয়নে হেরিব সদা যুগল রুপ রাশি।।
এই নিবেদন ধর,সখীর অনুগত কর,
সেবা অধিকার দিয়ে কর নিজ দাসী।
দীন কৃষ্ণদাসে কয়,এই যেন মোর হয়।।
শ্রী রাধাগোবিন্দ প্রেমে সদা যেন ভাসি।।

সাধারণ পরিচিতি ও বিবরণ :

একটি একক তুলসী ফুল (বিবর্ধিত চিত্র)

তুলসী একটি ঘন শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট ২/৩ ফুট উঁচু একটি চিরহরিৎ গুল্ম। এর মূল কাণ্ড কাষ্ঠল, পাতা ২-৪ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। পাতার কিনারা খাঁজকাটা, শাখাপ্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫টি পুষ্পদণ্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদণ্ডের চারদিকে ছাতার আকৃতির মত ১০-২০ টি স্তরে ফুল থাকে। প্রতিটি স্তরে ৬টি করে ছোট ফুল ফোটে। এর পাতা, ফুল ও ফলের একটি ঝাঁঝালো গন্ধ আছে। তুলসী গাছ পরিবেশে প্রচুর পরিমানে অক্সিজেন সরবরাহ করে, একারণে একে ‘অক্সিজেনের ভাণ্ডার’ বলা হয়।

প্রাপ্তিস্থান :

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সর্বত্র তুলসী দেখা যায়। হিন্দুধর্মে তুলসীকে দেবীরূপে পূজা করা হয়, তাই হিন্দুবাড়িতে এটি বেশি দেখা যায়। ভারতে তুলসী বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবে এবং ভেষজ চিকিৎসায় এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। জুলাই, আগস্ট বা নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসে এতে মঞ্জরী দেখা দেয়। সমতলভূমি থেকে শুরু করে হিমালয়ের পাদদেশে প্রায় ৬০০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত এদের জন্মাতে দেখা যায়।

তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama
তুলসী আরতি লিরিক্স | tulshi aroti lyrics | Sri Tulasi Pranama

ব্যবহার

তুলসী গাছের নানা ঔষধি ব্যবহার রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে সর্দি, কাশি, ঠাণ্ডা লাগা ইত্যাদি নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠাণ্ডা ও সর্দিজনিত যেকোনো সমস্যায় তুলসী রস ও মধু একত্রে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ গাছের রস কৃমি ও বায়ুনাশক। ঔষধ হিসাবে এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো এর রস, পাতা এবং বীজ। আয়ুর্বেদ ও ভেষজ চিকিৎসায় তুলসীর ব্যাপক ব্যবহার বয়েছে, বিশেষত ভারতীয় উপমহাদেশে।

Google News
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

ভারতে যে চার প্রকার তুলসী গাছ দেখা যায় সেগুলি হলো:

  1. বাবুই তুলসী,
  2. রামতুলসী,
  3. কৃষ্ণ-তুলসী, ও
  4. শ্বেত তুলসী।

আরও দেখুন :

Leave a Comment