প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | protidin vor hoy surjo uthe lyrics | Andrew Kishore

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | এন্ড্রু কিশোর লিপিকা অ্যান্ড্রু ইতির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। তাদের কন্যা মিনিম অ্যান্ড্রু সংজ্ঞা এবং পুত্র জয় অ্যান্ড্রু সপ্তক।

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | protidin vor hoy surjo uthe lyrics | Andrew Kishore

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | protidin vor hoy surjo uthe lyrics | Andrew Kishore

এভাবে কাটাবো সারাটা জীবন লিরিক্স :

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে

শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে
শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
তুমি আমি মুখোমুখি বসে দুজন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
তুমি আমি মুখোমুখি বসে দুজন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।

হুম প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে
শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
এতো দেখি তবু মন ভরেনা যেন।
জীবনের শুরুতেই আসনি কেন।
এতো দেখি তবু মন ভরেনা যেন।
জীবনের শুরুতেই আসনি কেন।

স্বর্গের চেয়ে সুন্দর এ ভুবন
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
স্বর্গের চেয়ে সুন্দর এ ভুবন
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
হুম প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে
শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
চোখে আকি সারাকন তোমারি ছবি।
হৃদয়ের তুলি দিয়ে রাঙানো সবি।
চোখে আকি সারাকন তোমারি ছবি।
হৃদয়ের তুলি দিয়ে রাঙানো সবি।

স্বপ্নের মতো লাগে সবি এখন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
স্বপ্নের মতো লাগে সবি এখন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
হ প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে

শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে
শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।
তুমি আমি মুখোমুখি বসে দুজন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।

তুমি আমি মুখোমুখি বসে দুজন।
এভাবেই কাটাবো সারাটা জীবন।
প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য্য উঠে
শিশিরের ছোয়াতেই ফুল ফোটে।

 

 

এন্ড্রু কিশোর :

                     কুমার বাড়ৈ (মঞ্চনাম এন্ড্রু কিশোর হিসাবেই অধিক পরিচিত; ৪ নভেম্বর ১৯৫৫ – ৬ জুলাই ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী গায়ক। তিনি বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, যে’জন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ নামে পরিচিত। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে “জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প”, “হায়রে মানুষ রঙ্গীন ফানুস”, “ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে”, “আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি”, “আমার বুকের মধ্যে খানে”, “আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন”, “ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা”, “সবাই তো ভালোবাসা চায়” প্রভৃতি।

কিশোর ছয় বছর বয়স থেকে সঙ্গীতের তালিম নেওয়া শুরু করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল, রবীন্দ্র, লোকসঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক গান শাখায় তালিকাভুক্ত হন। চলচ্চিত্রে তার প্রথম গান মেইল ট্রেন (১৯৭৭) চলচ্চিত্রের “অচিনপুরের রাজকুমারী নেই”। তিনি ড় ভাল লোক ছিল (১৯৮২) চলচ্চিত্রের “হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস” গানের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | protidin vor hoy surjo uthe lyrics | Andrew Kishore

 

এরপর তিনি সারেন্ডার (১৯৮৭), ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯), পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৯১), কবুল (১৯৯৬), আজ গায়ে হলুদ (২০০০), সাজঘর (২০০৭) ও কি যাদু করিলা (২০০৮) চলচ্চিত্রের গানের জন্য আরও সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি পাঁচবার বাচসাস পুরস্কার ও দুইবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন

এন্ড্রু কিশোর ১৯৫৫ সালের ৪ঠা নভেম্বর রাজশাহী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈ এবং মাতা মিনু বাড়ৈ রাজশাহীর একটি হাসপাতালে চাকরি করতেন ।মায়ের কাছে পড়াশোনায় হাতেখড়ি হয়েছিল। তার শৈশব-কৈশোর ও যৌবনকাল কেটেছে রাজশাহী।[১][৩] তার মাতা ছিলেন সংগীত অনুরাগী, তার প্রিয় শিল্পী ছিলেন কিশোর কুমার। প্রিয় শিল্পীর নামানুসারে তার সন্তানের নাম রাখেন ‘কিশোর’। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতেই তিনি সংগীতাঙ্গনেই পা রাখেন।[১][৩][৮]

এন্ড্রু কিশোর আব্দুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে প্রাথমিকভাবে সঙ্গীত পাঠ গ্রহণ শুরু করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর কিশোর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোক ও দেশাত্মবোধক গান শ্রেণিতে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন। কিশোর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন।

 

প্রতিদিন ভোর হয় সূর্য উঠে লিরিক্স | protidin vor hoy surjo uthe lyrics | Andrew Kishore

 

নেপথ্য সঙ্গীত জীবন

এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত মেইল ট্রেন চলচ্চিত্রের “অচিনপুরের রাজকুমারী নেই” গানের মধ্য দিয়ে।তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের “ধুম ধাড়াক্কা”। তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রতীজ্ঞা চলচ্চিত্রের “এক চোর যায় চলে” গানে প্রথম দর্শক তার গান শুনে এবং গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি অন্যান্য প্লেব্যাক গান রেকর্ড করেন যেমন ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘ভালবেসে গেলাম শুধু’ এর মত জনপ্রিয় সব গান।

 

Google News
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

কিশোর চলচ্চিত্রের গানে প্রথম সম্মাননা লাভ করেন বড় ভাল লোক ছিল (১৯৮২) চলচ্চিত্রের জন্য। মহিউদ্দিন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে সৈয়দ শামসুল হকের গীত ও আলম খানের সুরে “হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস” গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এই গানের জন্য তিনি প্রথমবারের মত শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।১৯৮৪ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের গীত ও সুরে নয়নের আলো চলচ্চিত্রের তিনটি গানে কণ্ঠ দেন, সেগুলো হল “আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি”, “আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন” ও “আমার বুকের মধ্য খানে”। এটি বুলবুলের পূর্ণাঙ্গ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্র।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment