বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | Bondhure Koi Pabo Shokhi Go Lyrics | Baul Sukumar

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | বাউল শিল্পী বা বাউল সাধক বা বাউল একটি বিশেষ ধরণের গোষ্ঠী ও লোকাচার সঙ্গীত পরিবেশক, যারা গানের সাথে সাথে সুফিবাদ, দেহতত্ত্ব প্রভৃতি মতাদর্শ প্রচার করে থাকে।

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | Bondhure Koi Pabo Shokhi Go Lyrics | Baul Sukumar

Song : Bondhure Koi Pabo Shokhi Go
Singer : Baul Sukumar
Lyrics & Tune : Shah Abdul Karim
Music : Ankur Mahamud

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | Bondhure Koi Pabo Shokhi Go Lyrics | Baul Sukumar
বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | Bondhure Koi Pabo Shokhi Go Lyrics | Baul Sukumar

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স :

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো
সখি আমারে বলো না?
বন্ধু বিনে পাগল মনে বোঝাইলে বোঝেনা,
আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা।

সাধে সাধে ঠেকছি ফাঁদে গো
সখি দিলাম ষোল আনা,
প্রাণ-পাখি উড়ে যেতে চায় আর ধৈর্য মানে না,
আমার প্রাণ পাখি উড়ে যেতে চায় আর ধৈর্য মানে না।

 

Google News
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

কী আগুন জ্বালাইলো বন্ধে গো
বন্ধে, নিভাইলে নিভে না,
জল ঢালিলে দ্বিগুণ বাড়ে উপায় কি বলো না?
হায়রে জল ঢালিলে দ্বিগুণ জ্বলে উপায় কি বলো না?

বাউল আব্দুল করিম বলে গো
সখি অন্তরের বেদনা,
সোনার বরণ রূপের কিরণ
না দেখলে বাঁচি না।

বন্ধুরে কই পাবো সখি গো
সখি আমারে বলো না?
বন্ধু বিনে পাগল মনে বুঝাইলে বুঝেনা,
আমার বন্ধু বিনে পাগল মনে বোঝাইলে বোঝেনা

 

 

বাংলার বাউল বা বাউল সংগীত অদ্যাবধি গবেষকেরা যেমন কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত দিতে পারেন নি, তবে বাউলের উৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে এক কোনো গবেষক বলেছেন- সংস্কৃত “বায়ু” থেকে বাউল শব্দটির উৎপত্তি, বাংলার যে সব লোক “বায়ু” অর্থাৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ক্রিয়ার সাহায্যে সাধনার মাধ্যমে আত্মিক শক্তি লাভ করার চেষ্টা করেন, তারাই বাউল।

কেও কেও বলেছেন, সংস্কৃত “বাতুল” শব্দ থেকে বাউল শব্দটির উৎপত্তি, এই গবেষকদের মতে- যে সব লোক প্রকৃতই পাগল, তাই তারা কোনো সামাজিক বা ধর্মের কোনো বিধিনিষেধ মানে না, তারাই বাউল। কেও বলেছেন “বাউর” শব্দ থেকে বাউলের উৎপত্তি, এর অর্থ এলো-মেলো, বিশৃঙ্খল, পাগল।

download 3 1 1 বন্ধুরে কই পাবো সখি গো গানের লিরিক্স | Bondhure Koi Pabo Shokhi Go Lyrics | Baul Sukumar

উৎপত্তি :

শান্তিনিকেতনের বাটিক প্রিন্টিংয়ে বাউলের চিত্র।

বাউল শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে মতান্তর রয়েছে। অতিপ্রাচীনকাল থেকে বাউল শব্দটির প্রচলন লক্ষ করা যায়। আনুমানিক সপ্তদশ শতক থেকে বাউল নামের ব্যবহার ছিল বলে জানা যায়, চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থের আদিলীলা অংশে এর ব্যবহার লক্ষ করা করা যায়, চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে মহাপ্রভু, রামানন্দ রায় ও সনাতন গোস্বামীর নিকট কৃষ্ণ বিরহ বিধুর নিজেকে মহাবাউল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সেই থেকে অনুমান করা হয়,বাউল শব্দের উৎপত্তির কথা। বাউলের রয়েছে নানাবিধ শাখাপ্রশাখা, একেক সম্প্রদায়ের বাউলেরা একেক মত অনুসারী, সেগুলো তাদের সম্প্রদায়ভেদে ধর্মীয় উপাসনার একটি অংশ।

 

Leave a Comment