আজ আমার নেই কিছু নেই লিরিক্স | aj amar nei kicu nei lyrics | Islamic songs

আজ আমার নেই কিছু নেই লিরিক্স | গজল গানের প্রকৃতি কোমল, ভাবপ্রবণ ও সংবেদনশীল বলে তার পরিধির ক্ষেত্র কিছুটা সীমিত। এ ক্ষেত্রে তিনটি পর্যায় দেখা যায়। যেমন: কাব্যের ক্ষেত্রে, রাগের ক্ষেত্রে এবং তালের ক্ষেত্রে

আজ আমার নেই কিছু নেই লিরিক্স | aj amar nei kicu nei lyrics | Islamic songs

বাংলা গজল 

 

আজ আমার নেই কিছু নেই লিরিক্স |

আমারও ছিলো-সব-একদিন
আজ আমার নেই-কিছু নেই
আমারও ছিলো সব একদিন
আজ আমার নেই-কিছু নেই
সবকিছু হয়ে-গেছে বিরান মরু
সবকিছু হয়ে গেছে বিরান মরু
কান্নার জ্বলটুকু-চোখে নেই
আজ-আমার নেই-কিছু নেই
আমারও ছিলো-সব একদিন
আজ আমার নেই-কিছু নেই
জানিনা কি দোষ ছিলো-আমার বাবার
মায়েরও স্বপ্ন ছিলো বেঁচে-থাকার
জানিনা কি দোষ ছিলো-আমার বাবার
মায়েরও স্বপ্ন ছিলো বেঁচে-থাকার
ছোট দুটি বোন ছিলো-ফুলের মতো
ছোট দুটি বোন ছিলো ফুলের মতো
ঘাতকের আঘাতে তারা-ও নেই
আজ-আমার-নেই কিছু নেই
আমারও ছিলো সব একদিন
আজ আমার নেই কিছু নেই
কতো যে  অনাথ শিশু আমার মতন
মুখ বুঝে কাঁদে আর খুঁজে স্বজন
কতো যে  অনাথ শিশু আমার মতন
মুখ বুঝে কাঁদে আর খুঁজে স্বজন
হায়নারা বারুদের গন্ধ ছড়ায়
হায়নারা বারুদের গন্ধ ছড়ায়
দম নেয়ার মতো বাতাসও নেই
আজ-আমার-নেই কিছু নেই
আমারও ছিলো সব একদিন
আজ আমার-নেই কিছু নেই
তোমরা যারা আছো নানান দেশে
স্বজনের মায়া ভরা পরিবেশে
তোমরা যারা আছো নানান দেশে
স্বজনের মায়া ভরা পরিবেশে
আমাদের-লাগি শুধু দোয়া করো
আমাদের-লাগি শুধু দোয়া করো
জীবনের স্বাদ যেনো পাই এখানেই
আজ আমার নেই কিছু নেই
আমারও ছিলো সব একদিন
আজ আমার নেই কিছু নেই
আমারও ছিলো সব একদিন
আজ আমার নেই কিছু নেই

শেরঃ

গজল গান দুটো পঙ্‌ক্তি নিয়ে রচিত। প্রতিটি খণ্ডকে ‘শের’ বলা হয়। অনেকগুলো ‘শের’ নিয়ে গজলের অবয়ব। শের কখনও একই বক্তব্য নিয়ে রচিত। আবার এতে কখনও বিভিন্ন বিষয়বস্তুর উপস্থাপনা দেখা যায়। মূল কথা, গজলের কাব্য ভাবই মুখ্য। ভাষার লালিত্য, শব্দের ঝঙ্কায়, ছন্দের মাধুর্য গজলের বৈশিষ্ট্য। গজলের প্রথম শেরকে স্থায়ী এবং অন্যসব শেরকে ‘অন্তরা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। গজল গানে মূলত কাব্যিক ভাব প্রকাশিত।

রাগঃ

রাগের ক্ষেত্রে গজল যে কোন রাগেই গীত হতে পারে। এর জন্য নির্দিষ্ট কোন রাগ নেই। তবে যেসব রাগেই গজল পরিবেশিত হয় সেসব রাগে শৃঙ্গার রস সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। তাই কাফি, পিলু, খাম্বাজ, ভৈরবি প্রভৃতি চটুল রাগের ব্যবহার গজলে বেশি দেখা যায়। তাই বলে দরবারি কানাড়া, মিয়া-কি-মল্লার, বিলাসখানি টোড়ি, চন্দ্রকোষ প্রভৃতি গম্ভীর চালের রাগেও গজল পরিবেশনে কোন বাধা নেই। তবে দ্রুপদ বা খেয়ালের মতো তাল, বাঁট করা হয় না এবং স্থায়ী ছাড়া সবগুলো অন্তরা একই সুরে গাওয়া হয়।

তালঃ

তালের ক্ষেত্রে গজল পরিবেশনের পরিধি কিছুটা সীমিত। কাব্যনির্ভর গান বলে গজলে কোন কঠিন তাল ব্যবহার হয় না। তাতে গজলের কাব্যিকভাবে অন্তরায় সৃষ্টি হয়। তাই স্বল্পমাত্রা আর সরল ছন্দের কাহারবা ও দাদরা তালেই বেশিরভাগ গজল গীত হয়। তালের ক্ষেত্রেও কোন ধরনের কূটলয়কারী বা তেহাই প্রয়োগ করা হয় না এবং গজল প্রধানত মধ্য লয়ে পরিবেশিত হয়।

Leave a Comment