আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স | Ami tomay bhalobashi | শহিদ ইসলাম
আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স গানটি একটি আধুনিক বাউল গান । সাধারণত বাউলেরা যে সংগীত পরিবেশন করে তাকে বাউল গান বলে।বাউল গান বাউল সম্প্রদায়ের সাধনসঙ্গীত। এটি লোকসঙ্গীতের অন্তর্গত।
আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স | Ami tomay bhalobashi | শহিদ ইসলাম
গানের জনরাঃ বাউলসঙ্গীত

আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স :
জগতে হইয়াছি দোষী।
না পাইয়া তবু খুশি।
তোমার ছবি রাখলাম অন্তরায়
হইলাম কত অপমান
মিষ্টি মিষ্টি কথা কইয়া
আমার সনে প্রেম করিলা।
এখন কেন যাও ভুলিয়া।
তোমার ছবি রাখলাম অন্তরায়
হইলাম কত অপমান।
জাতি কুল মান সবই গেল
এখন শুধু বাকি প্রাণ।
তোমার সাথে প্রেম করিয়া।.
হায়রে হইলাম কত অপমান
নান্না রান্না নান্না রান্না
আহা হাহা আহা হা

ami tomay bhalobashi english lyrics :

Ami Tomay Valobashi,
Jogote Hoiachi Doshi
Na Paiya Tobe Kushi
Tomar Sate Prem Koria
Hoilam Koto Opoman
Mishti Mishti Khota Koiya
Amar Sate Prem Je Korila
Akon Keno Jao Bulia
Tomar Cobi Raklam Ontoray
Tomar Sate Prem Koria
Hoilam Koto Opoman
https://www.youtube.com/watch?v=vTYT9VmpdYc
বাউলসঙ্গীতঃ বাউল সংগীত সাধারণত বাউলেরা যে সংগীত পরিবেশন করে তাকে বাউল গান বলে। বাউল শিল্পী বা বাউল সাধক বা বাউল একটি বিশেষ ধরণের গোষ্ঠী ও লোকাচার সঙ্গীত পরিবেশক, যারা গানের সাথে সাথে সুফিবাদ, দেহতত্ত্ব প্রভৃতি মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। বাউল সাধক বাউল সঙ্গীত পরিবেশন করে থাকে। বাউল গান পঞ্চবিংশ শতাব্দীতে লক্ষ্য করা গেলেও মূলত কুষ্টিয়ার লালন সাঁইয়ের গানের মধ্য দিয়ে বাউল মত পরিচিতি লাভ করে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের নিকট। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া-পাবনা এলাকা থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম-বোলপুর-জয়দেবকেন্দুলি পর্যন্ত বাউলদের বিস্তৃতি। বাউলদের মধ্যে গৃহী ও সন্ন্যাসী দুই প্রকারই রয়েছে। বাউলরা তাদের গুরুর আখড়ায় সাধনা করে।

বাউলরা তাদের দর্শন ও মতামত বাউল গানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে। বাউল সাধকদের সাধনার মাধ্যম হচ্ছে গান। সাধকের কাছে সাধন ভজনের গূঢ়তত্ত্ব প্রকাশ পায় গানের মাধ্যমে। প্রত্যেক মানুষের অন্তরে যে পরম সুন্দর ঈশ্বরের উপস্থিতি, সেই অদেখাকে দেখা আর অধরাকে ধরাই বাউল সাধন-ভজনের উদ্দেশ্য। বাউলের ভূখণ্ড তার দেহ, পথপ্রদর্শক তার গুরু, জীবনসঙ্গী নারী, সাধনপথ বলতে সুর, আর মন্ত্র বলতে একতারা। ভিক্ষা করেই তার জীবনযাপন।বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা।

এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধনগীত। আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি আর মানুষের জীবন জিজ্ঞাসা একাত্ম হয়ে ফুটে ওঠে বাউল গানে। আরো ফুটে ওঠে সাম্য ও মানবতার বাণী। এ ধারাটি পুষ্ট হয়েছে পঞ্চদশ শতাব্দীর তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের ভাব, রাধাকৃষ্ণবাদ, বৈষ্ণব সহজিয়া তত্ত্ব ও সুফি দর্শনের প্রভাবে। কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, বাংলাদেশে বাউল মতের উদ্ভব সতের শতকে। এ মতের প্রবর্তক হলেন আউল চাঁদ ও মাধব বিবি। গবেষকদের মতে, নিজ দেহের মধ্যে ঈশ্বরকে পাওয়ার তীব্র ব্যাকুলতা থেকে বাউল ধারার সৃষ্টি।