আল্লাহকে যে পাইতে চায় লিরিক্স : নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৫৬০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই।
আল্লাহকে যে পাইতে চায় লিরিক্স | Allah Ke Je Paite Chai | নজরুল গীতি । ফারজানা আলী মীম
ফারজানা আলী মীম
আল্লাহকে যে পাইতে চায় লিরিক্স :
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়,
হযরত কে ভালবেসে..
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়,
হযরত কে ভালবেসে।
আরশ কুর্সী..লওহে ছালাম ..
না চাইতেই পেয়েছে সে।
আরশ কুর্সী..লওহে ছালাম
না চাইতেই পেয়েছে সে।
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়।
হযরত কে ভালবেসে…
রসুল নামের রশি ধ’রে..
যেতে হবে খোদার ঘরে..
রসুল নামের রশি ধ’রে..
যেতে হবে খোদার ঘরে..
নদী তরঙ্গে, যে পড়েছে, ভাই
নদী তরঙ্গে, যে পড়েছে, ভাই
দরিয়াতে সে, আপনি মেশে।
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়।
হযরত কে ভালবেসে..
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়।
হযরত কে ভালবেসে..
তর্ক করে..দুঃখ.. ছাড়া…
কী..পেয়েছিস, অবিশ্বাসী..
তর্ক করে..দুঃখ.. ছাড়া…
কী..পেয়েছিস, অবিশ্বাসী..
কী পাওয়া যায়..দেখনা বারেক,
হযরতেমোর ভালবাসি..
এই দুনিয়ায় দিবা- রাতি
ঈদ হবে তোর নিত্য সাথী,
এই দুনিয়ায় দিবা- রাতি
ঈদ হবে তোর নিত্য সাথী,
তুই যা চাস তাই পাবি রে ভাই
তুই যা চাস তাই পাবি রে ভাই
আহমদ চান, যদি হেসে।
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়,
হযরত কে ভালবেসে..
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়,
হযরত কে ভালবেসে..
আরশ কুর্সী..লওহে ছালাম
না চাইতেই পেয়েছে সে।
আরশ কুর্সী..লওহে ছালাম
না চাইতেই পেয়েছে সে।
আল্লাহ কে যে পাইতে চায়।
হযরত কে ভালবেসে…
বৈশিষ্ট্য ও জনপ্রিয়তা
নজরুলের আবির্ভাব ও কর্মকাল রবীন্দ্রযুগের অন্তর্ভূত। তবু নজরুল রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বলয়ের সম্পূর্ণ বাইরে থেকে গীত রচনা করেছেন ও সুরারোপ করেছেন। তিনি বাংলা গানে বিচিত্র সুরের উৎস। রবীন্দ্রনাথের মতো তিনিও একই সঙ্গে গীতিকার, সুরকার ও সুগায়ক। গানের সংখ্যায় তিনি রবীন্দ্রনাথকেও ছাড়িয়ে গেছেন। তিনি বহু নতুন সুরের স্রষ্টা। বিচিত্র সুর আর তালে তার গান নিত্য নতুন।
নজরুল ” নজরুলগীতি ” শিখাচ্ছেন
শ্রোতার পছন্দানুসারে বিবিসি বাংলার করা সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় নজরুলের কারার ওই লৌহকপাট গানটি ১৬তম স্থানে এবং চল্ চল্ চল্ ঊর্ধগগনে বাজে মাদল গানটি ১৮তম স্থানে রয়েছে।
শ্রেণীবিন্যাস

বাংলা গানের বুলবুল কাজী নজরুল ইসলাম, ১৯৪০
সকল নজরুলগীতি ১০টি ভাগে বিভাজ্য। এগুলো হলোঃ ভক্তিমূলক গান, প্রণয়গীতি, প্রকৃতি বন্দনা, দেশাত্মবোধক গান, রাগপ্রধান গান, হাসির গান, ব্যাঙ্গাত্মক গান, সমবেত সঙ্গীত, রণ সঙ্গীত এবং, বিদেশীসুরাশ্রিত গান।
নজরুল সঙ্গীতের বিষয় ও সুরগত বৈচিত্র্য বর্ণনা করতে গিয়ে নজরুল-বিশেষজ্ঞ আবদুল আজীজ আল্-আমান লিখেছেন,