কে তুমি নন্দিনী লিরিক্সঃ মান্না দে ১৯৪২ সালে কৃষ্ণ চন্দ্র দে’র সাথে বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) দেখতে আসেন। সেখানে শুরুতে তিনি কৃষ্ণ চন্দ্র দে’র অধীনে সহকারী হিসেবে এবং তারপর শচীন দেব বর্মণ (এস.ডি. বর্মণ) এর অধীনে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি অন্যান্য স্বনামধন্য গীতিকারের সান্নিধ্যে আসেন এবং তারপর স্বাধীনভাবে নিজেই কাজ করতে শুরু করেন। ঐ সময় তিনি বিভিন্ন হিন্দি চলচ্চিত্রের জন্য সঙ্গীত পরিচালনার পাশাপাশি উস্তাদ আমান আলি খান এবং উস্তাদ আব্দুল রহমান খানের কাছ থেকে হিন্দুস্তানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নেন।
জীবনে কি পাব না ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
জীবনে কি পাব না ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
যদি সব ছাড়িয়ে দুটি হাত বাড়িয়ে
হারাবার খুশিতে যাই শুধু হারিয়ে
যদি সব ছাড়িয়ে দুটি হাত বাড়িয়ে
হারাবার খুশিতে যাই শুধু হারিয়ে
যেতে যেতে কারো ভয়ে
থমকে দাঁড়াবো না
সামনে যা দেখি জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
জীবনে কি পাব না
ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
ভাল আর মন্দের দ্বন্দ জানি না
কে ভাল কে মন্দ যে তার খবর রাখি না
ভাল আর মন্দের দ্বন্দ জানি না
কে ভাল কে মন্দ যে তার খবর রাখি না
কে তুমি নন্দিনী আগে তো দেখিনি
চলেছ এই পথে রূপে যে রঙ্গিনী
কে তুমি নন্দিনী আগে তো দেখিনি
চলেছ এই পথে রূপে যে রঙ্গিনী
চিনে নিতে যদি চাও একটু থামো না
সামনে যা দেখি জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
জীবনে কি পাব না ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা।
মান্না দে গায়ক হিসেবে ছিলেন আধুনিক বাংলা গানের জগতে সর্বস্তরের শ্রোতাদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ও সফল সংগীত ব্যক্তিত্ব। এছাড়াও, হিন্দি এবং বাংলা সিনেমায় গায়ক হিসেবে অশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার, মুকেশের মতো তিনিও ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের দশক পর্যন্ত ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
সংগীত জীবনে তিনি সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেন। সংগীত ভুবনে তাঁর এই অসামান্য অবদানের কথা স্বীকার করে ভারত সরকার ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পদ্মশ্রী, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে পদ্মবিভূষণ এবং ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে দাদাসাহেব ফালকে সম্মাননায় অভিষিক্ত করে।
মন্তব্য