খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ই নভেম্বর ২০২২, ৭:১১ এএম
সাথী তুমি আমার লিরিক্স, মিলুর সঙ্গীত জীবন শুরু হয় ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি, মিক্সড-ডুয়েট এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি। তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।
খালিদ হাসান মিলু (৬ এপ্রিল, ১৯৬০ – ২৯ মার্চ, ২০০৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে তার সঙ্গীত জীবন শুরু হয়। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি এবং মিক্সড ও ডুয়েট
এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি। তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৯৪ সালে ‘হৃদয় থেকে হৃদয়’ চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন।
মিলুর সঙ্গীত জীবন শুরু হয় ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি, মিক্সড-ডুয়েট এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি।
তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৮০ সালে তার প্রথম এ্যালবাম ‘ওগো প্রিয় বান্ধবী’ প্রকাশিত হয়। তার প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য এ্যালবাম সমূহ হলোঃ ‘আহত হৃদয়’, ‘শেষ খেয়া’, ‘নীলা’, ‘শেষ ভালোবাসা’, ‘মানুষ’, ‘অচিন পাখী’ ও ‘আমি একা বড় একা’
কনকচাঁপা (জন্ম: ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, যার গান এখনো কোটি শ্রোতার মুখে মুখে।তিনি রাজনীতির সাথেও যুক্ত রয়েছেন।একাদশ সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ কাজিপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।কনকচাঁপা ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, সালে ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। কিন্তু তার দাদা বাড়ী সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে। তবে কনক চাঁপা বেড়ে উঠেছেন ঢাকায়। তার বাবা আজিজুল হক মোর্শেদ। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে কনক চাঁপা তৃতীয়
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য